01

ডায়েরি লেখার ইচ্ছে টা বহুদিনের, কিন্ত লেখাটা আর হয়ে উঠছিলোনা . মাঝে যখন হেলির ধুম কেতুর মত নিযেকে নিয়ে ভাবনার দখিন দুয়ার টা হাট করে খুলে দেবার সুযুক পাই যেমন কখনও হয়তো একা ঘরে সুয়ে আছি ঘুমুবার স্বপ্ন নিয়ে আর ঠিক তখনই শৈশব থেকে শুরু করে স্তরে স্তরে সাজানো কত অনুভুতির দল. মেগা সিরিয়াল হয়ে ভেসে উঠছে. চোখের মনিটারে. যা এত দিন ধরে সযন্তে আগলে রেখেছে আমার 4জিবি হার্ড ডিস,, কখনো হয়তু নিসঙ্গ টেন যাত্রার দীর্গ মেয়াদি. যাত্রা পথের প্রায় সিংগ ভাগ জুরেই ফেলে আমার দিন গুলোর, নিরব রোমুন্চক নিজের অযান্তে কখনো মুখটা হাসিতে ভরে উঠেছে আবার কখনো বা চোখটা চক চক করে উঠেছে.

অকাল র্বরসনে. বসু ধারা বুকের হু হু টা কে টেরর গতির সাথে সিঙ্ক্র নাইস করে জন্ম দয়েছে করেক কিছু সিক্ততার চন্দানির পালস. ওযার ধরা ছুয়ার মধ্যে আসে না এত  দিন বাধে লিখতে বতা , প্রতিটি সৃতি বহু দিনের সঠিক অনু কম মনে না থাকাটা সাভাবিক , তাই ঠিক করলাম যখম যেটা মনে পড়বে বা পুরোনোটা নতুন করে আসবে, ছেষ্ঠা কববো সেঠাকে লিখে ফেলার হুক না তা সন্ন ছারা ,, অনেকটা দেরি করে যারা সুরু করে তাদের তো তালের ফাঁকে চুকতে হয় , সবাব তোই সুকরা অন্তরা সন্চারি অন্তরার বাঁদা গত পেরিয়ে তাদের কে নিযের কথায় নিযের সুরে বেচে নিতে হয় নিযের তৈরি জিবন মুখি, কথায় আছে নেই মামার চেয়ে কানা মামা ভাল. সেই বিশ্বাস এ ভর করে সুরুটা করে ফেললাম  আরু এক কিছু কিন চিনলাম বুঝলাম আমার চালসের র্দসন বোধ দিয়ে সেটা হলো দিন খন পন্থি বেছে, আকো চলেনা , তাই সৃষ্টির উস হয়ে আবেক হয়, তার সুরু চলমনতা শষ কোনটাই ব্যক্তি উপস্তিত হতে পারে না আমার খতেই বা ব্যতি ক্রম হবে কেন.

 

 

02

কি ভাবে ? তাই আমি ও ঠিক করেছি যে দিন যেটা মনে হবে সেটাই প্রকাসিত হবে লিখনিতে , যে দিন সময়      আসবে হয়তো আমি , হয়তো অন্য কোন আমি এ লেখা থেকে খোযার চেষ্ঠা করবো ক্রম অনুক্রম এখন আর এগুলো, নিয়ে মাথা গামাছি না, কারন এই চেষ্ঠাতে মাথাই ঘামবে , কাজের কাজ কিছুই হবে না,

যাক শেষ প্রজন্ত সুরুটা তো করলামন , নিয়ে মাথা গামাছি না, কারন এই চেষ্ঠাতে মাথাই ঘামবে , কাজের কাজ কিছুই হবে না,

যাক শেষ প্রজন্ত সুরুটা তো করলামন খুটি পুজু করে ফেলেছি. মা আনতে আর বেস কয়েক মাস ( খনেক ) বাকি এটাই আমার সারদিয় আঙ্কাখিত উপহার.

 

 

 

বাঙালিভ্যালেন্টাইন্স ডে

 

কুয়াশা কাটা ভোরের অব্সানে রুপোল রোদের চাদরে ঢাকা শুক্লা পন্চমির সকালে দ্লবদ্ধ ছাত্র-ছ্ত্রী কন্ঠে পরিচিত কোরাস

জয় জয় দেবী চরাচর সারে কুচযুগ শোভিত মুক্তা হারে বীনা রন্জিত পুস্ত্ক হ্স্তে ভ্গব্তী ভারতী দেবী নমস্ত্তে ..

সরস্ব্তী ম্হাভাগে বিদ্য় কমল লোচ্নে

বিশ্ব্রুপে বিশালাখি বিদান দেহী নমস্তুওে

মাঘ মসের এই পন্চমিতির মা সরস্বতির আরাধানা দিবস হিসাবে ছাত্র ছাত্রী সমাযের যতটা পরিচিত তার চেয়ে বুধ হয বেশি পরিচিত বাঙালিভ্যালেন্টাইন্স ডে হিসাবে. বাড়িতে ক্যাবে কুচি ক্লাস এ স্কুলে ছোঠ থেকে বড় সব সয়সেরছাত্র ছাত্রীদের হাত জোর করা প্রনাম দৃ্যের পাশা পাশির ছোখের পড়ে দুষ্টের চোখের নিরবাগ ছোটা ছুটি. কেউ কেউ বা মুনতা ভেগে বাবে সবে অধসত মুরকে বলিদেয় – আমি তোমায়– ,, বা—সই, তুমি –?

সিহ ভাগ ছেলেরা পা জামা পানজাবি বা র  চকে চোখে পড়ার মত পোশাক আম মেয়েদের তো কথা ই আলাধা সতকরা 100ভাগ মেয়েই শেমপু করা খোলা চুলে কিছু কিছু শিশির কনার সাজে আর বসন্তির র  শারির বাঝে বাযে যেন এক একটি জিবন্ত প্রতিমা. অনেক শিশুদের খতরে যেমন পড়া ধশুনার প্রথম ঘহাতে খরির দিন হিসাবে. বেসে নেওয়া হয. এই দিন টিকে , একই ভাবে এই বিশেষ দিনটিই কৈশোর য়েবনের কিনারে দারানো অনেকের কাছে পথম পেমের স্কিকরিতি গাপনের দিবস হিসাব চিনিট..

এখন অবশ অনেক বদল এসেছে, হাতে এসেছে মোবাইলম, কিন্তু প্রেমের সাবেকিযানায সরস্বতি পুজো আজও বাঙালির কাছে চিরকালিন প্রেম দিবস.

দিঘদিনের একটা মানসিক প্রস্তুতি থাকে এই দিনটার জন … বন্ধু বানদ্ধবিকে সবাই কে একটা সুত্রের মধে নিযে পরিকল্পনা মাফিক এগোনো পরস্পরিক মুগ্ধতা পাগল করা অার সবশেসে………

সেই চুরান্তসন্ধিক্খন= পাগলামো…

এই যেন অন্জলি মট্রের পর প্রনাম স্তোত কিনবা রচনার শেসে উপস্ারের মত যার রেশ অমলিন থাকবে মননে….. ছুয়ে থাকবে রি্দয়ের লুকানো স্তরগুলোকে সরস্বতির স্তব মনত্রে শুরু হওয়া সরল ভালোলাগাই যেন পরিনতি পায় ভালবাসার অমোঘ রুপকথায় তাই বসন্তপন্চমি অার বাঙালিভ্যালেন্টাইন্স ডে অাজ পরস্পরের সিনোনেম

 

 

003

 

জিবনের চরাই উদরাই এর বেশ কিছু বাকের নানান অভিচতার ঝুরিতে বেশ কিছু মানুসকে দেখেছি জাদের অদ্ভুদ কিছু মনন, প্রকাশভন্গি ও বাব্ারিক বেশি